A huge collection of 3400+ free website templates JAR theme com WP themes and more at the biggest community-driven free web design site
Home / News / ভালোবাসা দিবসে চকলেট প্রথা নিষিদ্ধ

ভালোবাসা দিবসে চকলেট প্রথা নিষিদ্ধ

দরজায় কড়া নাড়ছে ১৪ ফেব্রুয়ারি। ‘ভ্যালেন্টাইনস ডে’ বা ভালোবাসা দিবস নামে দিনটি পালিত হয়ে আসছে বিশ্বজুড়ে। বিশেষ করে পাশ্চাত্যে দিনটিকে ঘিরে উত্তেজনা থাকে তুঙ্গে। জাপানিদের মধ্যেও এদিনের আবেদন থাকে ব্যাপক। তবে জাপানের নারীদের মধ্যে ভালোবাসা দিবসের একটি প্রথাকে ঘিরে সম্প্রতি ক্ষোভের কথা শোনা যাচ্ছে। ‘গিরি চকলেট’ বা চকলেটের বাধ্যবাধকতা নামের এই প্রথা অনুসারে, কর্মস্থলে ১৪ ফেব্রুয়ারি তাঁদের চকলেট উপহার দিতে বাধ্য করা হয় পুরুষ সহকর্মীদের।

এক মাস পরই ১৪ মার্চ হোয়াইট ডেতে পুরুষেরা চকলেট উপহার দেন নারীদের। চকলেট উৎপাদক প্রতিষ্ঠানগুলো গত শতকের আশির দশকে বিক্রি বাড়াতে এই দুই প্রথাকে জনপ্রিয় করে তোলে। কিন্তু গত কয়েক বছরে গিরি চকোকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে জাপানের সমাজে। ভালোবাসা দিবসের এই প্রথাকে ঘিরে অনেক নারী-পুরুষ জড়াচ্ছেন বাগ্‌বিতণ্ডায়। সহকর্মীদের জন্য চকলেট কেনার বাধ্যবাধকতাকে অনেক নারীই একটি অসহনীয় চাপ বলে অভিহিত করেছেন। সাম্প্রতিক অতীতে দেখা গেছে, এই প্রথার সুযোগ নিয়ে কর্মস্থলে অনেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন, হয়রানির শিকার হয়েছেন অনেক নারী। এর পরিপ্রেক্ষিতে জাপানের অনেক প্রতিষ্ঠান এখন তাদের অফিসে এই প্রথা নিষিদ্ধ করছে। সম্প্রতি একটি জরিপে দেখা গেছে, ১৪ ফেব্রুয়ারি ৬০ শতাংশ নারী চকলেট কেনেন আসলে নিজের জন্য। ৫৬ শতাংশের বেশি নারী পরিবারে সদস্যদের জন্যও চকলেট কেনেন। ৩৬ শতাংশ নারী সঙ্গী বা পছন্দের মানুষকে চকলেট উপহার দেন। শুধু সহকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য চকলেট উপহার দেওয়া অনেক নারীর দূরতম কল্পনারও বাইরে বলে জরিপটিতে দেখা গেছে। তবে ৩৫ শতাংশ নারী জানিয়েছেন, ভ্যালেন্টাইনসে তাঁরা সহকর্মীদের চকলেট উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

জরিপে অংশ নেওয়া এক কর্মজীবী নারী বলেন, ‘গিরি চকো প্রথা আমার অফিসে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আগে আমাদের চিন্তায় পড়ে যেতে হতো—প্রতিটি চকলেটের দাম কত হবে, কাকে কাকে দেব—এই চিন্তাগুলো অযথাই আমাদের পীড়া দিত।’

জাপানে ভালোবাসা দিবসে উপহার হিসেবে চকলেট দেওয়ার প্রথা শুরু হয় ১৯৫০–এর দশকের মধ্যভাগে।

About অনলাইন নিউজ ডেস্ক, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান

Check Also

১৬ নয়, ৪ স্তরেই মিলবে ভবন নকশার অনুমোদন

রাজউকের মতো দেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের এলাকায় ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে এখন থেকে মাত্র চার স্তরের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *