নিজস্ব প্রতিনিধি, সম্পাদনায়-সাইমুর রহমান:
গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় তুচ্ছ একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সহিংসতার ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন এক কলেজ ছাত্র। আহত গ্যানিমুন হামিদ খান সামির উত্তরা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
স্থানীয় সূত্র ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, সামিরের নিজ বাড়ির ভেতরে জোরপূর্বক একটি মোটরসাইকেল রাখাকে কেন্দ্র করে টঙ্গী বাজারের ভুসি ব্যবসায়ী লাল মিয়ার ছেলে মুবিনের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত হয়। প্রথমে কথাকাটাকাটির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
অভিযোগ রয়েছে, সংঘর্ষের একপর্যায়ে মুবিন ও তার সহযোগীরা সংঘবদ্ধভাবে সামিরের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো জানা না গেলেও পরিবার জানিয়েছে, তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন।
পরিবারের দাবি, ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে হামলার দৃশ্য স্পষ্টভাবে দেখা যায়। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরেও এসেছে বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পূর্বের অভিযোগও রয়েছে
ভুক্তভোগী পরিবারের ভাষ্য, অভিযুক্ত মুবিন এর আগেও একাধিক সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল। পূর্বে তার মারধরে এক ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়ে শরীরে সেলাই নিতে বাধ্য হন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে সে সময় এসব তথ্য তাদের জানা ছিল না বলে দাবি করেন সামিরের স্বজনরা। এলাকাজুড়ে উত্তেজনা ও আতঙ্ক
ঘটনার পর টঙ্গী এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এ ধরনের সহিংসতা আরও বাড়তে পারে প্রশাসনের বক্তব্য মেলেনি
ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এতে স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি।
ভুক্তভোগী পরিবার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, “এই ঘটনার সঠিক বিচার না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। এ ঘটনায় এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
